মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে ৯০ অভিবাসীসহ ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় এক বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ।
মায়ানমারের বুথিডং এলাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন তারা।
যার বেশির ভাগই ছিলেন মায়ানমারের রোহিঙ্গা ও অন্যান্য নাগরিক। তবে স্বপ্নের গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই তারুতো দ্বীপের কাছাকাছি নৌকাটি ডুবে যায়। যার ফলে এক রোহিঙ্গা নারী মারা যান এবং বহু মানুষ নিখোঁজ হয়।
মালয়েশিয়ার উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
যাদের মধ্যে তিনজন মায়ানমার নাগরিক, দুজন রোহিঙ্গা পুরুষ এবং একজন বাংলাদেশি পুরুষ রয়েছেন। বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনো উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি।
স্থানীয় পুলিশের বরাতে জানা যায়, যাত্রীরা প্রথমে একটি বড় জাহাজে উঠেছিলেন, পরে কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে তাদের তিনটি ছোট নৌকায় ভাগ করে দেওয়া হয়। প্রতিটি নৌকায় প্রায় ৯০-১০০ জন করে ছিল।
এর মধ্যে দুটি নৌকার অবস্থান এখনো অজানা। প্রবল ঢেউয়ের মধ্যেও উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে নিখোঁজদের জীবিত পাওয়ার আশা ক্রমেই কমে আসছে।
উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকটি মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আছেন, এবং তার শারীরিক অবস্থা ও পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।
স্থানীয় পুলিশের বরাতে জানা যায়, যাত্রীরা প্রথমে একটি বড় জাহাজে উঠেছিলেন, পরে কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে তাদের তিনটি ছোট নৌকায় ভাগ করে দেওয়া হয়। প্রতিটি নৌকায় প্রায় ৯০-১০০ জন করে ছিল।
এর মধ্যে দুটি নৌকার অবস্থান এখনো অজানা। প্রবল ঢেউয়ের মধ্যেও উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে নিখোঁজদের জীবিত পাওয়ার আশা ক্রমেই কমে আসছে।
উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকটি মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আছেন, এবং তার শারীরিক অবস্থা ও পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।